এ্যায়সা নাহি
--আসাদ বিন হাফিজ
নিজের গাড়ি যতন করে
পরের গাড়ি ভাঙ্গে
দেশ-দরদী এমন নেতা
খোশহালে ভোট মাঙ্গে।
নীতির কথা মুখেই থাকে
কাজের বেলা চাঙ্গে
কালো টাকার বাড়ি-গাড়ি
নৌকা ভাসায় গাঙ্গে।
নির্বাচনের সময় এলে
হেজাব দিয়ে রাঙ্গে
প্রতিশ্রুতির মুলা-কলা
নাকের ডগায় টাঙ্গে।
যেসব কাপুরুষ গৃহকর্তা বাইরে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে পারে না, তারা নাকি ঘরে এসে সে অপারগতার ঝাল বউয়ের উপর মিটায়। মানুষের হাতে মার খেয়ে বাড়িতে এসে বউকে মারে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থাও ঠিক এরকম। যখন যে দলই বিরোধী দলে থাকে, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে সরকারের পেটোয়া বাহিনী পুলিশের হাতে মার খেয়ে সাধারণ মানুষের সম্পদের উপর ঝাল মিটায়। নির্বিচারে গাড়ি ভাঙচুর করে, জ্বালাও-পোড়াও করে। এই কাপুরুষতা আমরা অতীতে আওয়ামীলীগ বিরোধী দলে থাকাকালীন যেমন দেখেছি, বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত জোট বিরোধী দলে থাকা অবস্থায়ও দেখছি।
কী দোষ এই নীরিহ গাড়িমালিকদের? তারা তো কেউ পুলিশ নয়, পুলিশের সহযোগীও নয়। তাদের উপর এই অবিচার কেন? যদি হরতাল হতো, বিরোধীদলের গাড়ি বের না করার 'নির্দেশ্ִ অমান্যের দায়ে নয়তো ভাঙচুর করলে মেনে নেয়া যেত (যদিও এই নির্দেশের আইনগত ভিত্তি নেই)। আজ তো তাও ছিল না। তা সত্ত্বেও তাদের উপর এই অবিচার-অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচার করা হলো কেন? রাজনৈতিক নেতাদের বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন রইল।
--আসাদ বিন হাফিজ
নিজের গাড়ি যতন করে
পরের গাড়ি ভাঙ্গে
দেশ-দরদী এমন নেতা
খোশহালে ভোট মাঙ্গে।
নীতির কথা মুখেই থাকে
কাজের বেলা চাঙ্গে
কালো টাকার বাড়ি-গাড়ি
নৌকা ভাসায় গাঙ্গে।
নির্বাচনের সময় এলে
হেজাব দিয়ে রাঙ্গে
প্রতিশ্রুতির মুলা-কলা
নাকের ডগায় টাঙ্গে।
যেসব কাপুরুষ গৃহকর্তা বাইরে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে পারে না, তারা নাকি ঘরে এসে সে অপারগতার ঝাল বউয়ের উপর মিটায়। মানুষের হাতে মার খেয়ে বাড়িতে এসে বউকে মারে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থাও ঠিক এরকম। যখন যে দলই বিরোধী দলে থাকে, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে সরকারের পেটোয়া বাহিনী পুলিশের হাতে মার খেয়ে সাধারণ মানুষের সম্পদের উপর ঝাল মিটায়। নির্বিচারে গাড়ি ভাঙচুর করে, জ্বালাও-পোড়াও করে। এই কাপুরুষতা আমরা অতীতে আওয়ামীলীগ বিরোধী দলে থাকাকালীন যেমন দেখেছি, বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত জোট বিরোধী দলে থাকা অবস্থায়ও দেখছি।
কী দোষ এই নীরিহ গাড়িমালিকদের? তারা তো কেউ পুলিশ নয়, পুলিশের সহযোগীও নয়। তাদের উপর এই অবিচার কেন? যদি হরতাল হতো, বিরোধীদলের গাড়ি বের না করার 'নির্দেশ্ִ অমান্যের দায়ে নয়তো ভাঙচুর করলে মেনে নেয়া যেত (যদিও এই নির্দেশের আইনগত ভিত্তি নেই)। আজ তো তাও ছিল না। তা সত্ত্বেও তাদের উপর এই অবিচার-অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচার করা হলো কেন? রাজনৈতিক নেতাদের বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন রইল।
